মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৫

এইবার ঠিক চিনেছি

এতদিনে, অবশেষে মানুষ চিনতে পারছি। অবশেষে। এত সহজ যে কাজ টা, আগে জানতাম না। আগে জানলে অবশ্য খুব কি বেশি রকম ফের হত? কিছুটা হোতো, কষ্ট একটু কম পেতাম জীবনে, এই তো।
ভুল গুলো ঠিক ভুলই থাকত, এমন না যে আগে মানুষ চিনতে পারলে এই ভুল গুলো করতাম না। নিজেকেও চিনেছি,তাই নিশ্চিত হয়েই বলছি।

এইবার যখন মানুষ চিনেই ফেললাম আমার নব- আবিষ্কৃত ফরমূলা দিয়ে, দেখি এইবার পুরোদস্তুর কষ্ট-শূন্য- ভূলহীন- আবেগশুন্য সফল রোবট হতে পারি কিনা

সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৫

নতুন লেখা

আজ আরেকটা নতুন লেখা দিয়েছি আমার ব্লগে,polyhydramnios নিয়ে। এরপর লিখব molar pregnancy নিয়ে, জেফকটের চ্যাপ্টারটা প্রায় শেষ পড়া, আর একটু বাকি আছে। ঘুমাতে যাব এখন। অনেক বেজে গেছে,১২ টা ৪৪। দুই বিচ্ছুই জেগে আছে, গল্পে মশগুল। শিত নেমেই গেল প্রায়। দুই দিন ধরে আবার হাতের ব্যথায় ভুগছি। আজ তাও একটু কম। কাল ডানহাতের কবজি থেকে আঙ্গুল পর্যন্ত একেবারে ফুলে ধোল হয়ে ছিল। কবে আমি সম্পূর্ণ ঝামেলা মুক্ত হব আর আমার মনের মত জীবন কাটাবো, অর্থপূর্ণ সার্থক দিন, কর্মময়, সাফল্যময়, হাশিখুশি, ফিট। হাতব্যথা, কোমরব্যথা বা মাথব্যথা থাকবেনা, সময়মত ইবাদত করব, বাচ্চাদের শিখাবো সব।

কেন যেন আবার সেলাইয়ের ভূত ইদানিং আবার আশেপাশে ঘুরঘুর করছে। বন্ধ করে ফেলে রাখা স্নো এর মলাট্টাও চোখে পরছে বারবারই। মনে মনে ভালো খেজুরের গুড়ও খুঁজছি। মুবিন থাকতে থাকতে একদিন ভাপা আর চিতই বানাবো, আর কিছু তো পারিনা। পারলে পাটিসাপ্টা টা এবার বানানো শিখব, মনে তো হয় সোজাই হবে। আরো কিছু পিঠার রেসিপি দেখতে হবে ইউটিউবে, যেমন পোয়া পিঠা আর জিলাপী। শখ লাগছে।

কিন্তু সময় কই এত কিছুর? জানিনা। সময় বের করতে হবে। পূর্ণ স্বাদ নিতে চাই বেঁচে থাকার। এইটাই আজ আমার নতুন লেখা।

বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৫

ঘুম আসেনা রোগ

ইদানিং আমার ঘুমে এমন সমস্যা হচ্ছে যে বলার না। দিনের প্রায় বশ বাইশ ঘন্টাই জেগে থাকি। ইচ্ছা করে না, ঘুম আসেনা। ঘুমাতে ইচ্ছাও হয়না। তখন অবশ্য পড়ালেখা করি না। না গল্পের বই না পড়ার বই না অন্য কিছু। কিছু সময় ফেসবুক দেখি। আর বাকি সময় শুধু তাকিয়ে থাকি। খালি মন খালি মাথা নিয়ে এভাবে জেগে বসে থাকার আসলে কন মানে হয়না, নিজেকে ভূতের মত লাগে। মানে ভয়- লেখানো ওলা ভূত না, ম্থায় যত্নের অভাবে জটা ধরেছে,এমন ভূত। কেন এমন ঘুম আসেনা রগ হল বুঝতে পারছিনা।

মা আমাকে বলে আমি নাকি অনেকেরই ঈর্ষা-র পাত্রীতে পরীণত হয়েছি। এত ভালো আছি, চাকরী করছি, বাচ্চা পালছি, রান্না বান্ন ঘরকন্না, চাকরী পড়ালেখা ফেসবুকিং, বরের দামী গাড়িতে ঘুরি, আমার তো সুখই সুখ। আমি এতগুলো পজিটিভ জিনিস একসাথে মিলিয়ে দেখিনি আগে, আমি চাইনা কেউ আমাকে ঈর্ষা করুক। কিন্তু আসলে ভালই তো আছি। আমার বরও ইদানিং নাকি আমাকে অনেক হাসিখুশি দেখতে চায়, আমি নাকি অনেক গম্ভীর হয়ে গেছি, রাগি হয়ে গেছি। বাচ্চারা আমাকে ভালবাসে, কিন্তু আমাকেই ভয় পায়।

আসলে খালি মন খারাপের সময়ই এই ব্লগের পাতাটা খুলে বসি।
সারাদিন খুব ভালো ছিলাম আমি খুব ভাল
কিন্তু এখন আবার ঘুম না আসার রোগে ধরেছে।ঘুম আসছেনা। যদিও জানি ঘুমানো খুব দরকার এখন, কিন্তু ঘুমাতে একদম ইচ্ছাও করছেনা